Ticker

6/recent/ticker-posts

প্রাণের স্পন্দন মসজিদুল আকসা : ১১ টি বিস্ময়কর তাৎপর্য

 

mawlana zunaid

প্রাণের স্পন্দন মসজিদুল আকসা : ১১ টি বিস্ময়কর তাৎপর্য

        মাওলানা জুনাইদ


মসজিদুল আকসা মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। মক্কা-মদীনার পর যদি কোন মসজিদ আমাদের কাছে বিশেষ মহত্ত্ব ও পবিত্রতা বহন করে, তা হলো মসজিদুল আকসা। এটি আমাদের প্রথম কিবলা, এবং ইসলামের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ বহু ঘটনা এই মসজিদের সাথে জড়িত। শুধু তা-ই নয়, কেয়ামতের আগে এই মসজিদ ও তার আশপাশের অঞ্চল থেকে অনেক বিস্ময়কর ঘটনা সংঘটিত হবে, যা আমাদের জন্য এক মহান অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। 

মসজিদুল আকসা আমাদের হৃদয়ে গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার জায়গা। যখনই এর কথা ভাবি, আমাদের মনে ভেসে ওঠে খলিফা ওমর রা. এবং সালাহুদ্দীন আইয়ুবীর গৌরবোজ্জ্বল বিজয়ের ইতিহাস। মসজিদুল আকসার সাথে জড়িত রয়েছে রাসুল সা.-এর মেরাজের স্মৃতি, যা ইসলামের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এসব কারণে মসজিদুল আকসা নিয়ে আমরা আবেগতাড়িত হই, এবং আমাদের চোখ সজল হয়ে ওঠে। আজ আমরা কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে মসজিদুল আকসার এগারোটি অতীব তাৎপর্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরব, যা আমাদের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে এবং আমাদের মসজিদুল আকসার প্রতি ভালোবাসা আরও গভীর করবে, ইনশাআল্লাহ।

১. প্রথম কিবলা

মুসলিম জীবনে কিবলার প্রতি ভালোবাসা অত্যন্ত গভীর। কিবলার দিকে ফিরে আমরা নামাজ আদায় করি এবং এটি আমাদের হৃদয়ের এক অমূল্য জায়গা। মসজিদুল আকসা ছিল ইসলামের প্রথম কিবলা। ইসলামের প্রথম যুগে যখন রাসুল সা. এর ওপর নামাজ ফরজ হয়, তখন তিনি ও তাঁর সাহাবীরা মসজিদুল আকসার দিকে ফিরে নামাজ পড়তেন। মদীনায় হিজরতের পরও ষোল বা সতেরো মাস মসজিদুল আকসাকেই কিবলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছিল, এর পরে আল্লাহ তাআলা মক্কা শহরের বাইতুল্লাহকেই কিবলা নির্ধারণ করেন।

ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন: 

ابن عباس رضي الله عنه قال: «كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي بمكة نحو بيت المقدس والكعبة بين يديه وبعد ما هاجر إلى المدينة ستة عشر شهرًا ثم صُرف إلى الكعبة»

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় ছিলেন, তখন তিনি মসজিদুল আকসার দিকে নামাজ পড়তেন, এবং কাবা ছিল তাঁর সামনে। মদীনায় হিজরত করার পর ষোল (১৬) মাস পর্যন্ত তিনি মসজিদুল আকসার দিকে নামাজ পড়েছিলেন, এরপর কিবলা বদলিয়ে কাবার দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। (সহীহ বুখারী, হাদীস: ৪০)

২. কুরআন-স্বীকৃত পবিত্র ভূমি

মসজিদুল আকসা ও এর আশপাশের ভূমি কুরআনে পবিত্র হিসেবে বর্ণিত। 
আল্লাহ বলেন:

  یٰقَوۡمِ ادۡخُلُوا الۡاَرۡضَ الۡمُقَدَّسَۃَ الَّتِیۡ كَتَبَ اللّٰهُ لَكُمۡ وَ لَا تَرۡتَدُّوۡا عَلٰۤی اَدۡبَارِكُمۡ فَتَنۡقَلِبُوۡا خٰسِرِیۡنَ 

হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা সেই পবিত্র ভূমিতে প্রবেশ করো, যা আল্লাহ তোমাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন  (সূরা মায়েদা: ২১)
আল্লাহ বলেন:

 سُبۡحٰنَ الَّذِیۡۤ اَسۡرٰی بِعَبۡدِهٖ لَیۡلًا مِّنَ الۡمَسۡجِدِ الۡحَرَامِ اِلَی الۡمَسۡجِدِ الۡاَقۡصَا الَّذِیۡ بٰرَكۡنَا حَوۡلَهٗ لِنُرِیَهٗ مِنۡ اٰیٰتِنَا ؕ اِنَّهٗ هُوَ السَّمِیۡعُ الۡبَصِیۡرُ

পবিত্র এবং মহিমাময় আল্লাহ, যিনি রাত্রি বেলায় তাঁর বান্দাকে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসায় ভ্রমণ করিয়েছিলেন, যার চারপাশ আমি বরকতপূর্ণ করে দিয়েছি, যাতে আমি তাকে আমার নিদর্শনসমূহ প্রদর্শন করতে পারি; তিনি শ্রোতাযুক্ত, দৃষ্টিগোচর। (সূরা ইসরা: ১)

৩. মেরাজের সূচনাস্থল

মেরাজের ঘটনা ছিল রাসুল সা. এর জীবনের এক অসাধারণ ঘটনা, যা আল্লাহ তাআলা তাঁর বান্দাকে রাত্রিকালীন সফরের মাধ্যমে প্রদর্শন করেছিলেন। মসজিদুল আকসা ছিল এই মহাকাব্যিক সফরের সূচনাস্থল। 
আল্লাহর বাণী:

   سُبۡحٰنَ الَّذِیۡۤ اَسۡرٰی بِعَبۡدِهٖ لَیۡلًا مِّنَ الۡمَسۡجِدِ الۡحَرَامِ اِلَی الۡمَسۡجِدِ الۡاَقۡصَا الَّذِیۡ بٰرَكۡنَا حَوۡلَهٗ لِنُرِیَهٗ مِنۡ اٰیٰتِنَا ؕ اِنَّهٗ هُوَ السَّمِیۡعُ الۡبَصِیۡرُ

পবিত্র এবং মহিমাময় আল্লাহ, যিনি রাত্রি বেলায় তাঁর বান্দাকে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসায় ভ্রমণ করিয়েছিলেন, যার চারপাশ আমি বরকতপূর্ণ করে দিয়েছি, যাতে আমি তাকে আমার নিদর্শনসমূহ প্রদর্শন করতে পারি; তিনি শ্রোতাযুক্ত, দৃষ্টিগোচর। (সূরা ইসরা: ১)

৪. নবী-রাসুলদের স্মৃতির স্মারক

মসজিদুল আকসা ও এর আশপাশের ভূমি বহু নবী-রাসুলের পদচিহ্নে ভরা। ইবরাহীম আ. এবং লূত আ. এর হিজরত, সুলাইমান আ. এর প্রার্থনা—সবই এখানে ঘটেছিল। 
আল্লাহ তাআলা বলেন:

وَ نَجَّیۡنٰهُ وَ لُوۡطًا اِلَی الۡاَرۡضِ الَّتِیۡ بٰرَكۡنَا فِیۡهَا لِلۡعٰلَمِیۡنَ

আর আমি তাকে (ইবরাহীম আ.) ও (তার ভ্রাতুষ্পুত্র) লূত আ.কে উদ্ধার করে তাদেরকে এমন একটি দেশে (ফিলিস্তিনে) নিয়ে গেলাম, যা আমি সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য বরকতপূর্ণ করে রেখেছি।  
                                                                                                                                                                                (সূরা আম্বিয়া: ৭১)
৫. পৃথিবীর দ্বিতীয় মসজিদ

মসজিদুল আকসা পৃথিবীর দ্বিতীয় মসজিদ, যা মক্কার বাইতুল্লাহর পরে নির্মিত হয়। 
হাদীসে বর্ণিত রয়েছে:

حَدَّثَنَا مُوْسَى بْنُ إِسْمَاعِيْلَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيْمُ التَّيْمِيُّ عَنْ أَبِيْهِ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا ذَرٍّ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ أَيُّ مَسْجِدٍ وُضِعَ فِي الأَرْضِ أَوَّلَ قَالَ الْمَسْجِدُ الْحَرَامُ قَالَ قُلْتُ ثُمَّ أَيٌّ قَالَ الْمَسْجِدُ الأَقْصَى قُلْتُ كَمْ كَانَ بَيْنَهُمَا قَالَ أَرْبَعُوْنَ سَنَةً ثُمَّ أَيْنَمَا أَدْرَكَتْكَ الصَّلَاةُ بَعْدُ فَصَلِّهْ فَإِنَّ الْفَضْلَ فِيْهِ

আবূ যর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! পৃথিবীতে সর্বপ্রথম কোন মসজিদ নির্মিত হয়েছে? তিনি বললেন, *মসজিদুল হারাম*। আমি বললাম, এরপর কোনটি? তিনি বললেন, *মসজিদুল আকসা*। আমি বললাম, উভয় মসজিদের নির্মাণের মাঝে কত সময়ের ব্যবধান ছিল? তিনি বললেন, চল্লিশ বছর। অতঃপর তোমরা যেখানেই সালাতের সময় পাবে, সেখানেই সালাত আদায় করবে, কেননা এতে বিশেষ ফজিলত নিহিত রয়েছে।  
                                                                                                                    (সহীহ বুখারী, ৩৩৬৬; সহীহ মুসলিম, ৫২০)

৬. মসজিদুল আকসা উদ্দেশে ভ্রমণ ইবাদত

মসজিদুল আকসা পৃথিবীর একমাত্র মসজিদ যা ভ্রমণের উদ্দেশ্যে সফর করা প্রাধান্য পায়, অন্য কোন মসজিদে সফর করা এর মতো পুরস্কৃত নয়। 
রাসুল সা. বলেছেন:

عَلِيٌّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَعَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لاَ تُشَدُّ الرِّحَالُ إِلاَّ إِلَى ثَلاَثَةِ مَسَاجِدَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ وَمَسْجِدِ الرَّسُولِ وَمَسْجِدِ الْأَقْصَى.

আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন:  
মাসজিদুল হারাম, মাসজিদুর রাসূল এবং মাসজিদুল আকসা (বায়তুল মাকদিস) এই তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য কোনো মসজিদে (সালাতের উদ্দেশ্যে) সফর করা যাবে না (অর্থাৎ, এগুলির বাইরে অন্য কোন মসজিদে ভ্রমণ করার উদ্দেশ্যে হাওদা বাঁধা যাবে না)।
                                                                                             (সহীহ বুখারী, ১১৮৯; সহীহ মুসলিম, ১৩৯৭)
৭. এক রাকাতে আড়াইশ রাকাতের সোয়াব

মসজিদুল আকসার এক রাকাত নামাজের মধ্যে আড়াইশ রাকাত নামাজের সমান পুরস্কার রয়েছে। রাসুল সা. এর ভাষায়:
আবূ যর (রাযি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে আলোচনা করছিলাম, তখন আমরা জানতে চাইলাম, 'হে আল্লাহর রাসূল! কোন মসজিদে নামাজ পড়া উত্তম?' তিনি বলেন, 'আমার এই মসজিদে (মসজিদে নববী) একটি নামাজ সেখানে (মসজিদুল আকসায়) চারটি নামাজের চেয়ে উত্তম। (মুস্তাদরাক হাকিম, ৮৬০০; তালখীসুল মুসতাদরাক, ৪/৫০৯; হাকিম ও যাহাবীর মতে সহীহ)
এই হাদীসের মাধ্যমে বোঝা যায় যে, মসজিদে নববীর নামাজের ফজিলত খুবই উচ্চ, এমনকি মসজিদুল আকসায় পড়া নামাজের চেয়েও তার সাওয়াব বেশি।

৮. গুনাহ মাফের স্থান

মসজিদুল আকসা গুনাহ মাফের একটি বিশেষ স্থান হিসেবে বিবেচিত। এর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিখ্যাত ঘটনা হলো, যখন সুলাইমান (আ.) মসজিদুল আকসার নির্মাণ কাজ শেষ করেন, তখন তিনি আল্লাহর কাছে একটি দোয়া করেছিলেন:  

যে ব্যক্তি এই মসজিদে নামাজ আদায়ের জন্য আসবে, সে যেন তার গুনাহ থেকে মুক্ত হয়ে যায়, যেমন সে দিনটি ছিল, যেদিন তার মা তাকে জন্ম দিয়েছিলেন।
(মুসনাদে আহমদ, হাদীস: ৬৬৪৪; শায়খ শু‘আইব আরনাউত: সহীহ)

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, আল্লাহ তার নবী সুলাইমান (আ.)-এর এই দোয়া কবুল করবেন। এই দোয়া থেকে বোঝা যায় যে, মসজিদুল আকসা নামাজী মুসলিমদের জন্য গুনাহ মাফের এবং পাপ থেকে মুক্তির একটি বরকতময় স্থান।

৯. শেষ যামানার মানুষের পরম কাঙ্ক্ষিত ভূমি

এমন সময় আসবে, যখন মসজিদুল আকসার দিকে তাকানোও পৃথিবীর সব কিছু থেকে শ্রেষ্ঠ হবে। এই বিশেষ স্থানটির গুরুত্ব ও মর্যাদা কেবল ইসলামের ইতিহাসে নয়, বরং সারা পৃথিবীজুড়ে মুসলিমদের কাছে এক ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব বহন করে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজেই মসজিদুল আকসার গুরুত্ব নিয়ে বিভিন্ন হাদীসে বলেছেন, 
যেমন:যে ব্যক্তি মসজিদুল আকসার দিকে তাকাবে, তার কাছে পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ থেকেও এই ভূমি শ্রেষ্ঠ হবে।
এই হাদিসটি মসজিদুল আকসার গুরুত্ব ও বিশেষ মর্যাদাকে প্রমাণ করে, যা কেবল একটি মসজিদ নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক, ধর্মীয়, এবং আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবেও বিশেষ স্থান অধিকার করে। এটি ইসলামের পূর্ববর্তী নবী-রাসুলদের সাথে সম্পর্কিত এবং মুসলিমদের জন্য এক মহান পবিত্র স্থান।

এছাড়া, আল্লাহ তাআলা মসজিদুল আকসার মর্যাদাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করে রেখেছেন, এবং পবিত্র স্থানটির প্রতি যে কোন দৃষ্টিভঙ্গি বা ইঙ্গিতও আল্লাহর কাছ থেকে বিশেষ কল্যাণ ও পাপ মাফের সূচনা হতে পারে।

এ কারণেই মসজিদুল আকসা মুসলিমদের জন্য শুধু একটি পবিত্র স্থান নয়, বরং এটি তাঁদের বিশ্বাস, ইতিহাস ও ধর্মীয় জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।

১০. ইয়াজুজ-মাজুজের ধ্বংসস্থল

এটি কেয়ামতের একটি বড় আলামত, ইয়াজুজ-মাজুজের আবির্ভাবের স্থান হবে মসজিদুল আকসার পার্শ্ববর্তী একটি পাহাড়। 
রাসুল সা. এর হাদীসে বলা হয়েছে:
ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: ইয়াজুজ-মাজুজ বাইতুল মাকদিসের এক পাহাড়ে পৌঁছাবে এবং সেখান থেকেই তাদের তাণ্ডব শুরু হবে।                                                                                                                                                             (সহীহ মুসলিম)

১১. দাজ্জাল থেকে মুক্ত

দাজ্জাল যখন পৃথিবীজুড়ে তাণ্ডব চালাবে, তখন মসজিদুল আকসা এই বিপদ থেকে মুক্ত থাকবে। 
রাসুল সা. বলেছেন:
আবু হুরাইরা (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: দাজ্জাল যেখানেই যাবে, সে পৃথিবীর সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে, কিন্তু সে চারটি মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে না: মসজিদুল হারাম, মসজিদে নববী, মসজিদুত তুর, এবং মসজিদুল আকসা।
                                                                                                      (সহীহ মুসলিম)
শেষমেষ, মসজিদুল আকসা আমাদের ঈমান ও ভালোবাসার একটি অমূল্য জায়গা। যদিও আজকাল এই পবিত্র ভূমি বেদখল হয়ে আছে, তবে আমরা আশা করি আল্লাহ তাআলা আমাদের হৃদয়ে এই ভালোবাসা বৃদ্ধি করবেন এবং মসজিদুল আকসার দেখার ও সেখানে নামাজ আদায়ের তাওফিক দান করবেন।


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ